বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট যুক্তরাজ্য প্রবাসী এম কুদ্দুস এর ঈদ শুভেচ্ছা

প্রকাশিত: ৫:১৯ অপরাহ্ণ, মে ২৩, ২০২০

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট যুক্তরাজ্য প্রবাসী এম কুদ্দুস এর ঈদ শুভেচ্ছা

সিলেটের নিউজঃ

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের আঘাতে বিপর্যস্ত সারা বিশ^। প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে এ মহামারি ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত মানুষের সংখ্যা। ভয়ঙ্কর এ ভাইরাসের থাবা থেকে মুক্ত হতে পারেনি বাংলাদেশও। প্রাণঘাতী এ ভাইরাস মোকাবিলায় আমাদের দেশের ডাক্তার ও নার্সদের মতো চিকিৎসাকর্মীরা একযোগে কাজ করছে। মহামারি করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হাসিমুখে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করে যাচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ। এমনকি তাদের উদ্যোগে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করে যাচ্ছেন।
এমনি পরিস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশ-বিদেশের সকল মুসলিম উম্মাহ ও সর্বস্তরের জনতাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সিলেট সদর জালালাবাদ থানা আওয়ামীলীগের প্রধান উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও লয়লা হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও নাদিরা বেগম ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান যুক্তরাজ্য প্রবাসী স্বনামধন্য লেখক এম এ কুদ্দুস।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় এম এ কুদ্দুস বলেন, দেশে বিদেশ বসবারত দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর সমগ্র মুসলিম জাহানের জন্য আল্লাহর পক্ষ হতে এক অপার নেয়ামত ঈদ। পবিত্র ঈদুল ফিত্র। এটা আল্লাহর পক্ষ হতে বিশেষ করে রোজাদারদের জন্য উপহার স্বরুপ। সকলকে আমার ঈদের শুভেচ্ছা। ঈদ আরবি শব্দ। যার অর্থ ফিরে আসা। এমন দিনকে ঈদ বলা হয় যে দিন মানুষ একত্র হয় ও দিনটি বারবার ফিরে আসে। এ শব্দ দ্বারা এ দিবসের নাম রাখার তাৎপর্য হলো আল্লাহ রাববুল আলামিন এ দিবসে তাঁর বান্দাদেরকে নিয়ামাত ও অনুগ্রহ দ্বারা বার বার ধন্য করেন ও বার বার তাঁর ইহসানের দৃষ্টি দান করেন। যেমন রমাদ্বানে পানাহার নিষিদ্ধ করার পর আবার পানাহারের আদেশ প্রদান করেন। এ দিনটি আল্লাহ রাববুল আলামিন মুসলিম উম্মাহর প্রতি নিয়ামাত হিসেবে ঈদ দান করেছেন।
তিনিআরোও বলেন পূর্ণ একমাস সিয়াম সাধনার পর ঈদ উৎসব মুসলিম জাতির প্রতি সত্যিই মহান রাব্বুল আলামীনের পক্ষ থেকে এক বিরাট নিয়ামত ও পুরস্কার। মুসলিম উম্মার প্রত্যেক সদস্যের আবেগ, অনুভূতি, ভালবাসা, মমতা ঈদের এ পবিত্র ও অনাবিল আনন্দ উৎসবে একাকার হয়ে যায়। পাশাপাশি কল্যাণ, বরকত ও আনন্দের এ শুভদিনে আমাদের সে সকল ভাই-বোনদের কথাও স্মরণ করা উচিৎ, মৃত্যু যাদেরকে এ জগত থেকে এমন এক জগতে নিয়ে গিয়েছে, যেখান থেকে ফেরার কোন উপায় নেই। সেখানে তারা পার্থিব জীবনে নিজেদের কৃতকর্মের ফলাফল ভোগ করছে। এ মহান দিবসে আমরা তাদেরকে ভুলে না গিয়ে আমাদের উচিৎ তাদের মাগফিরাতের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং তাদের পথে আমাদেরকেও একদিন পা বাড়াতে হবে – মনে সব সময় এ কথা জাগরণ রাখা। ঈদ উৎসব পালনকালে সেই সব ভাই-বোনদের কথাও আমাদের মনে রাখতে হবে, যারা কঠিন পীড়ায় অসুস্থ হয়ে বাড়ীতে কিংবা হাসপাতালে পড়ে আছে। ব্যথা, যন্ত্রণা ও মানসিক পীড়নে ঈদের আনন্দ তাদের মাটি হয়ে গিয়েছে। আমাদের উচিৎ প্রথমত আল্লাহ যে সুস্থতা ও নিরাপত্তার অশেষ নিয়ামতের উপর আমাদেরকে রেখেছেন তার জন্য শুকরিয়া আদায় করা। আজ তাদের কথাও বিস্মৃত হলে চলবে না, এ বৈশ্বিক করোনা যুদ্ধ যাদেরকে সর্বস্বান্ত করেছে, গৃহহীন করেছে, দেহের রক্ত-বন্যা প্রবাহিত করেছে, বহু নরীকে করেছে বিধবা এবং শিশুকে করেছে পিতৃহীন-এতীম এবং সেই বিপদগ্রস্থ ব্যক্তিদেরকেও, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের যারা আজ সর্বহারা। আমরা আমাদের সাধ্যানুযায়ী আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের মাধ্যমে এদের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে পারি । আমরা কি কখনো ভাবি সে-সব ভাই-বোনদের কথা দারিদ্রের কষাঘাতে যাদের জীবন জর্জরিত। নতুন পোষাক কেনা দূরে থাক, পুরানো কোন ভাল পোষাকই তাদের নেই। বরং প্রতিদিনের অন্নের প্রয়োজনীয় যোগানও তাদের নেই। আমরা যারা স্বচছল তারা কি সামান্যতম হাসিও এদের মুখে ফোটাতে পরি না। আবারোও সবাইকে ঈদুল ফিত্রের শুভেচ্ছা – ঈদ মোবারক। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

shares