বৈশ্বিক করোনায় আতংকিত সারা দুনিয়া // যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও গবেষক এম এ কুদ্দস

প্রকাশিত: ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ, মে ১, ২০২০

বৈশ্বিক করোনায় আতংকিত সারা দুনিয়া //    যুক্তরাজ্য প্রবাসী লেখক ও গবেষক এম এ কুদ্দস

সিলেটের নিউজঃ

করোনাভাইরাসরে ভয়াল থাবায় আক্রান্ত সারা পৃথিবী। আক্রান্ত আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশও। আর এই অদৃশ্য ভাইরাসের বিরুদ্ধে আমাদের যুদ্ধাস্ত্র-সচতেনতা, সর্তকতা এবং ঘরে থাকা, পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সরকার নির্দেশিত নিয়মগুলো যথাযথভাবে মেনে চলা। এই রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদরে চোখ, নাক, মুখ রক্ষা করতে হবে। কারণ এ পথেই এই অদৃশ্য ভাইরাসটি আমাদরে শরীরে প্রবেশ করে। তাই তো বারবার হাত ধোয়ার আহ্বান। যাতে হাতের মাধ্যমে ভাইরাসটি আমাদের শরীরে ঢুকতে না পারে।

আসলে এই আগ্রাসী ভাইরাসে থমকে গেছে সারা পৃথিবী। কোনো যুদ্ধ নয় অথচ দেশে দেশে জারি করা হয়েেছ কারফিউ, জরুরি অবস্থা, লকডাউন। স্কুল-কলেজ, অফিস আদালত সব বন্ধ। উঁচু- নিচু, ধনী-গরীব, অর্থের দাপট, অস্ত্রের শক্তি, ক্ষমতার দম্ভ, রাজনতৈকি প্রতিহিংিসা, পারমাণবকি শক্তি কিছুই কাজে লাগছে না এই অদৃশ্য অণুবীক্ষণ ভাইরাস প্রতিরোধে। বিশ্বেরে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোও আজ অসহায়। দেশে দেশে বন্ধ র্অথনীতির চাকা, বিশ্বজুড়ে আমদানী-রপ্তানীর চেইন ভেঙ্গে পড়ছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। মন্দার মুখে পড়েছে বিশ্বের অনেক দেশই। সব মিলিয়ে আমরা একটা জটিল সমস্য পার করছি। সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ। আর এই মুর্হূতে যদি আমরা করোনার বিরুদ্ধে আমাদের সচতেনতা ও সর্তকতার নিয়মগুলো যথাযথভাবে পালন না করি তাহলে সামনে আরও বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় অনেক স্বেচ্ছাসবেী প্রতিষ্ঠানই প্রশংসনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করে মানুষরে সেবায় এগিয়ে এসেছেন। কেউ কেউ ভাসমান মানুষের হাতে পৌছে দিচ্ছেন খাদ্যসামগ্রী। এসব র্কাযক্রম মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে। এসব সাহায্য, সহযোগতিা, সহমর্র্মিতার কথা যত বেশি প্রচার হবে, ততই আলোকতি হবে বিভেকের চোখ। মানুষরে পাশে এসে দাঁড়াবে মানুষ। ধন্যবাদ জানাই যেসব স্বচ্ছোসবেী সংস্থা ও মানুষকে যারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে অসহায় মানুষরে পাশে দাঁড়িয়েছেন। আর মানুষরে এই ইতিবাচক দিকগুলো আমাদের মানবকি মূল্যবোধকে আরও সমৃদ্ধ করবে। জাগ্রত হবে মনুষ্যত্ব।

পরশিেেষ একটি কথা বলে শেষ করতে চাই। মিডিয়াতে দেথলাম বিশ্বকে তাকলাগিয়ে করোনাভাইরাসে র্কমহীন হয়ে পড়া মানুষের সহায়তায় ১০ হাজার টাকা দান করা সেই ভিক্ষুক বৃদ্ধ নাজিমউদ্দিনকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভিটেমাটি পাকা বাড়ি ও একটি দোকান করে দেওয়ায়র নির্দেশ দিয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই সহানুভূতি ও মহানুভবতায় কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী! আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সশ্রদ্ধ কৃতজ্ঞতা।

Sharing is caring!

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ

shares