সিলেট সদর উপজেলা নির্বাচনের জমজমাট প্রচারনা আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক

প্রকাশিত: ১০:১৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ১৯, ২০২৪

সিলেট সদর উপজেলা নির্বাচনের জমজমাট প্রচারনা  আলোচনায় চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক

>
এম ইজাজুল হক ইজাজঃ নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী মে থেকে ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। শুরু হয়েছে নির্বাচনের জমজমাট প্র্রচারণা একই সঙ্গে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীকে নিয়ে চলছে সরগরম আলোচনা। সিলেট সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রায় ১ডজন। এ নির্বাচনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, গোবিন্দগঞ্জ আব্দুল হক স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সুজাত আলী রফিক। এ লক্ষ্যে তিনি সদর উপজেলা জুড়ে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় করছেন মতবিনিময় ও উঠান বৈঠক করছেন গণসংযোগ।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে জানতে সুজাত আলী রফিক বলেন, ছাত্র রাজনীতি দিয়ে আমার রাজপথে বিচরণ। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমি আজ সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি। আমার রাজনীতির একমাত্র উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও মানুষের কল্যাণ। মানুষের জন্য কাজ করার অভিপ্রায় থেকে আগামী সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। জনগণের সমর্থন নিয়েই আমি আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে ইচ্ছুক। এলাকাবাসির পাশে আমি এখনো আছি ভবিষ্যতে ও থাকবো ইনশাল্লাহ।
অবহেলিত বঞ্চিত মানুষের পাশে সবসময় থাকতে এজন্য আমি আমার সদর উপজেলাবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া চাই। চেয়ারম্যান হলে আমি এ উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবো । এছাড়া উপজেলার রাস্তা ঘাটের উন্নয়ন, মাদক মুক্ত সমাজ, সামাজিক উন্নয়ন করব। অবহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সর্বদা কাজ করতে চাই।
এলাকার জনগণের সুত্রে জানা যায় প্রার্থীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক। সুজাত আলী একজন সৎ, সদালাপী, সদাহাস্যজ্জল ও মানবদরদী ব্যক্তিত্ব। নিজস্ব ক্লিন ইমেজ দ্বারা এলকার মানুষের মাঝে সাড়া জাগিয়ে জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ভোটের মাধ্যমে জয়লাভ করতে চান। একটি উন্নত জনপদে পরিনত করার অভিপ্রায় নিয়ে ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
শতাব্দীর ভয়াবহ দুর্যোগ মহামারি করোনার সময় যখন সারাদেশের সীমিত আয়ের মানুষ মহাসংকটে ছিলেন তখনও তিনি বসে থাকেন নি। তিনি তাহার ব্যাক্তিগত নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। ব্যাতিক্রম হয়নি বন্যায়ও। ছুটে গেছেন পানিবন্দী মানুষের দ্বারে দ্বারে। দিন-রাত কাজ করেছেন মানুষের মলিনমুখে এক চিলতে হাসি ফুটাতে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ