সিলেট সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান জেলা আ. লীগ নেতা এডভোকেট নুরে আলম সিরাজী , চষে বেড়াচ্ছেন মাঠ

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৪

সিলেট সদর উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান জেলা আ. লীগ নেতা এডভোকেট নুরে আলম সিরাজী , চষে বেড়াচ্ছেন মাঠ

এম ইজাজুল হক ইজাজঃ
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী আগামী মে থেকে ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান সিলেট মহানগর আদালতের পিপি ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা এডভোকেট নুরে আলম সিরাজী। এ লক্ষ্যে তিনি উপজেলা জুড়ে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় করছেন মতিবিনিময় ও উঠান বৈঠক। করছেন গণসংযোগ।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে এডভোকেট নুরে আলম সিরাজী বলেন, ছাত্ররাজনীতি দিয়ে আমার রাজপথে বিচরণ। অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আমি আজ সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য। আমার রাজনীতির একমাত্র উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে দেশ ও মানুষের কল্যাণ। রাজনীতির মাধ্যমে সমাজ সেবার পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে নিরলসভাবে সমাজ সেবা করে যাচ্ছি। মানুষের জন্য কাজ করার অভিপ্রায় থেকে আগামী সিলেট সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছি। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে পারলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থা-সহ সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে সদর উপজেলাকে একটি স্মার্ট উপজেলায় পরিণত করতে পারবো বলে আমি আশাবাদী। আর আমার এই স্বপ্নপূরণে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আপনাদের স্নেহ, ভালোবাসা ও সমর্থন। আপনারা আমাকে কখনো নিরাশ করেননি গত নির্বাচনে ও আপনারা বিপুল ভোট দিয়েছেন বিজয়ী হতে না পারলে দুঃখ নেই, সবসময় যেভাবে জড়িয়ে রেখেছেন স্নেহ-ভালোবাসার চাদরে, উপজেলা নির্বাচনেও ঠিক সেভাবেই আপনাদের হৃদয়ে ঠাঁই দেবেন এমন বিশ্বাস আমার। সর্বদাই চেষ্টা থাকে নিজ জন্মমাটি সদর উপজেলাবাসীর মানুষের সুঃখে-দুঃখে পাশে থাকার।
যখনই উপজেলাবাসীর কোন বিপদ-আপদ কিংবা সংকটের খবর পাই, তখনই ছুটে যাই আপনাদে পাশে। শতাব্দীর ভয়াবহ দুর্যোগ মহামারি করোনার সময় যখন সারাদেশের সীমিত আয়ের মানুষ মহাসংকটে ছিলেন তখনও তিনি বসে থাকেন নি। তিনি তাহার ব্যাক্তিগত নিজস্ব তহবিলের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। ব্যাতিক্রম হয়নি বন্যায়ও। ছুটে গেছেন পানিবন্দী মানুষের দ্বারে দ্বারে। দিন-রাত কাজ করেছেন মানুষের মলিনমুখে এক চিলতে হাসি ফুটাতে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

shares